জেলা পরিচিতি

চাঁদপুর

চাঁদপুর চট্টগ্রাম বিভাগের একটি নদীবহুল জেলা, যা ইলিশ মৎস্য, নদীমোহনার দৃশ্য এবং মেঘনা-পদ্মা নদীব্যবস্থার বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত। এর আয়তন ১,৭০৪.০৬ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ২,৬৩৫,৭৪৮। চাঁদপুর শহর জেলা সদর ও একটি ব্যস্ত নদীবন্দর নগরী।

বর্তমান আবহাওয়া

মেঘাচ্ছন্ন

তাপমাত্রা২৬.২°C
বাতাসের গতি৬.৫ km/h
আপডেট০১:৪৫

নামাজের সময়সূচি

ফজর০৪:২৫
সূর্যোদয়০৫:৩১
যোহর১২:০২
আসর১৫:২৮
মাগরিব১৮:৩৩
ইশা১৯:৩৯

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

চাঁদপুর চট্টগ্রাম বিভাগের একটি নদীবহুল জেলা, যা ইলিশ মৎস্য, নদীমোহনার দৃশ্য এবং মেঘনা-পদ্মা নদীব্যবস্থার বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত। এর আয়তন ১,৭০৪.০৬ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ২,৬৩৫,৭৪৮। চাঁদপুর শহর জেলা সদর ও একটি ব্যস্ত নদীবন্দর নগরী।

ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট

ঔপনিবেশিক আমলে নদীবন্দর ও বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে চাঁদপুরের বিকাশ ঘটে এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪ সালে এটি জেলা হয়। নিম্ন মেঘনা অঞ্চলের পরিবহন, মৎস্য ও কৃষিপণ্যের বিনিময়ের সঙ্গে এ জেলার দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে।

ভৌগোলিক পরিচিতি

অবস্থান: দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের নিম্ন মেঘনা-পদ্মা মোহনা অঞ্চল। নদীখাত, চরাঞ্চল এবং উর্বর পললভূমি এ জেলার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

প্রশাসনিক কাঠামো

জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা: ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪

জেলা সদর: চাঁদপুর

উপবিভাগ: ৮টি উপজেলা

এই ডেটাবেসে বর্তমান উপজেলাগুলো আলাদাভাবে upazilas টেবিলের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জনসংখ্যা ও সমাজ

জনসংখ্যা (২০২২): ২,৬৩৫,৭৪৮। ৭+ সাক্ষরতার হার ৭৮.২৩%, প্রায় ২৬.২৩% মানুষ শহরাঞ্চলে বাস করত, এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠের পাশাপাশি হিন্দু সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীও রয়েছে।

শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান

চাঁদপুরের শিক্ষাব্যবস্থায় ঐতিহাসিক কলেজ, বিদ্যালয়, মাদ্রাসা এবং কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আঞ্চলিক সংযোগ রয়েছে।

অর্থনীতি ও সংস্কৃতি

অর্থনীতি ও সংস্কৃতি: ইলিশ, নদীবন্দরভিত্তিক বাণিজ্য, যোগাযোগ, কৃষি এবং মোহনানির্ভর নগরজীবন চাঁদপুরের পরিচয়ের কেন্দ্র। মৎস্য ও নদীবন্দর ঐতিহ্য এ জেলার সাংস্কৃতিক সত্তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।