জেলা পরিচিতি

ফরিদপুর

ফরিদপুর ঢাকা বিভাগের একটি ঐতিহাসিক দক্ষিণ-মধ্য জেলা, যা নদীনির্ভর বসতি, সুফি ঐতিহ্য, কৃষি ও বাণিজ্যের জন্য পরিচিত। এর আয়তন ২,০৫২.৮৬ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ২,১৬২,৮৭৯। ফরিদপুর শহর জেলা সদর এবং দক্ষিণ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র।

বর্তমান আবহাওয়া

মেঘাচ্ছন্ন

তাপমাত্রা২৭.১°C
বাতাসের গতি৬.২ km/h
আপডেট০১:৪৫

নামাজের সময়সূচি

ফজর০৪:২৮
সূর্যোদয়০৫:৩৪
যোহর১২:০৫
আসর১৫:৩১
মাগরিব১৮:৩৭
ইশা১৯:৪৩

সর্বশেষ সংবাদ

এই জেলার সাম্প্রতিক খবর

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ফরিদপুর ঢাকা বিভাগের একটি ঐতিহাসিক দক্ষিণ-মধ্য জেলা, যা নদীনির্ভর বসতি, সুফি ঐতিহ্য, কৃষি ও বাণিজ্যের জন্য পরিচিত। এর আয়তন ২,০৫২.৮৬ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ২,১৬২,৮৭৯। ফরিদপুর শহর জেলা সদর এবং দক্ষিণ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র।

ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট

ফরিদপুরের ইতিহাস ফতেহাবাদ, সুফি ঐতিহ্য, নদীবন্দর বাণিজ্য এবং কৃষিভিত্তিক সমাজের সঙ্গে যুক্ত। পুরোনো ঢাকা-সংলগ্ন প্রশাসনিক কাঠামো থেকে বিকশিত হয়ে ঔপনিবেশিক ও আধুনিক যুগে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলায় পরিণত হয়।

ভৌগোলিক পরিচিতি

অবস্থান: পদ্মা-সংলগ্ন দক্ষিণ-মধ্য বাংলাদেশ। নদী, বন্যাপ্রবণ সমভূমি ও উর্বর কৃষিভূমি এ জেলার ভূপ্রকৃতি গড়ে তুলেছে।

প্রশাসনিক কাঠামো

আধুনিক জেলা কাঠামো পুরোনো ঢাকা-সংলগ্ন প্রশাসনিক ভিত্তি থেকে গড়ে ওঠে

জেলা সদর: ফরিদপুর

উপবিভাগ: ৯টি উপজেলা

এই ডেটাবেসে বর্তমান উপজেলাগুলো আলাদাভাবে upazilas টেবিলের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জনসংখ্যা ও সমাজ

জনসংখ্যা (২০২২): ২,১৬২,৮৭৯। ৭+ সাক্ষরতার হার ৭২.১৩%, প্রায় ২৩.৮৩% মানুষ শহরাঞ্চলে বাস করত, এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য হিন্দু জনগোষ্ঠীও রয়েছে।

শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান

ফরিদপুরের শিক্ষাব্যবস্থায় জেলা কলেজ, বিদ্যালয়, চিকিৎসা ও পেশাগত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ঢাকার বৃহত্তর উচ্চশিক্ষা নেটওয়ার্কের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

অর্থনীতি ও সংস্কৃতি

অর্থনীতি ও সংস্কৃতি: কৃষি, বাণিজ্য, পরিবহন, নদীবন্দর-সংযুক্ত বাজার এবং সুফি-ঐতিহ্যবাহী নগরজীবন ফরিদপুরের পরিচয় গড়ে তুলেছে। পাঠরাইল মসজিদ, মথুরাপুর দেউল ও পুরোনো শহুরে ঐতিহ্য গুরুত্বপূর্ণ।