জেলা পরিচিতি

নোয়াখালী

নোয়াখালী চট্টগ্রাম বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় জেলা, যা বদ্বীপীয় বসতি, দ্বীপাঞ্চল, অভিবাসন এবং ঘন গ্রামীণ-বাণিজ্যিক জনজীবনের জন্য পরিচিত। জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র মাইজদী, যা নোয়াখালী সদর উপজেলার অন্তর্গত। জেলার নয়টি উপজেলা রয়েছে; এর মধ্যে হাতিয়া আয়তনে বৃহত্তম এবং মূল ভূখণ্ডে ঘন জনবসতি বিস্তৃত।

বর্তমান আবহাওয়া

মেঘাচ্ছন্ন

তাপমাত্রা২৬.৩°C
বাতাসের গতি৭.৪ km/h
আপডেট০১:৪৫

নামাজের সময়সূচি

ফজর০৪:২৩
সূর্যোদয়০৫:২৮
যোহর১১:৫৮
আসর১৫:২২
মাগরিব১৮:২৮
ইশা১৯:৩৪

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

নোয়াখালী চট্টগ্রাম বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় জেলা, যা বদ্বীপীয় বসতি, দ্বীপাঞ্চল, অভিবাসন এবং ঘন গ্রামীণ-বাণিজ্যিক জনজীবনের জন্য পরিচিত। জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র মাইজদী, যা নোয়াখালী সদর উপজেলার অন্তর্গত। জেলার নয়টি উপজেলা রয়েছে; এর মধ্যে হাতিয়া আয়তনে বৃহত্তম এবং মূল ভূখণ্ডে ঘন জনবসতি বিস্তৃত।

ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট

নোয়াখালীর ইতিহাস উপকূলীয় নদী-পথ পরিবর্তন, বদ্বীপ গঠন, বাণিজ্য এবং পুনঃপুন সামাজিক-রাজনৈতিক পরিবর্তনের দ্বারা গঠিত। দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার বিকাশে এ জেলার দীর্ঘ ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে এবং এখান থেকে একাধিক নতুন জেলা গড়ে উঠেছে।

ভৌগোলিক পরিচিতি

অবস্থান: মেঘনা মোহনা ও উপকূলীয় দ্বীপাঞ্চলসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ। মূল ভূখণ্ডের সমভূমি, চরাঞ্চল এবং হাতিয়ার মতো দ্বীপভূমি এ জেলার অংশ।

প্রশাসনিক কাঠামো

জেলা সদর: মাইজদী / নোয়াখালী সদর প্রশাসনিক কেন্দ্র

উপবিভাগ: ৯টি উপজেলা

এই ডেটাবেসে বর্তমান উপজেলাগুলো আলাদাভাবে upazilas টেবিলের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জনসংখ্যা ও সমাজ

নোয়াখালী বাংলাদেশের ঘনবসতিপূর্ণ উপকূলীয় জেলাগুলোর একটি; এখানে মূল ভূখণ্ড ও দ্বীপাঞ্চলজুড়ে ঘন জনবসতি, দীর্ঘ অভিবাসন ইতিহাস এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী রয়েছে।

শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান

নোয়াখালীর জেলা-ভিত্তিক শিক্ষানেটওয়ার্ক শক্তিশালী এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ দক্ষিণ-পূর্ব করিডরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

অর্থনীতি ও সংস্কৃতি

অর্থনীতি ও সংস্কৃতি: কৃষি, মৎস্য, প্রবাসী আয়, ক্ষুদ্র বাণিজ্য, দ্বীপাঞ্চলীয় জীবিকা এবং অভিবাসনজনিত সামাজিক পরিবর্তন এ জেলার অর্থনীতি ও সংস্কৃতিকে গড়ে তুলেছে। হাতিয়া ও চৌমুহনী এ পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।