জেলা পরিচিতি

ফেনী

ফেনী চট্টগ্রাম বিভাগের একটি কৌশলগত জেলা, যা ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরের ওপর অবস্থিত এবং পরিবহন, বাণিজ্য, কৃষি ও সীমান্ত-সংযুক্ত নদীভূমির জন্য পরিচিত। ২০২২ সালে জেলার জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১৬.৫ লাখ, এবং এটি বিভাগের তুলনামূলক ছোট জেলাগুলোর একটি। ফেনী শহর জেলা সদর এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট ও বাণিজ্যকেন্দ্র।

বর্তমান আবহাওয়া

আকাশ পরিষ্কার

তাপমাত্রা২৬.২°C
বাতাসের গতি৬ km/h
আপডেট০১:৩০

নামাজের সময়সূচি

ফজর০৪:২৩
সূর্যোদয়০৫:২৯
যোহর১২:০০
আসর১৫:২৫
মাগরিব১৮:৩১
ইশা১৯:৩৬

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ফেনী চট্টগ্রাম বিভাগের একটি কৌশলগত জেলা, যা ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডরের ওপর অবস্থিত এবং পরিবহন, বাণিজ্য, কৃষি ও সীমান্ত-সংযুক্ত নদীভূমির জন্য পরিচিত। ২০২২ সালে জেলার জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১৬.৫ লাখ, এবং এটি বিভাগের তুলনামূলক ছোট জেলাগুলোর একটি। ফেনী শহর জেলা সদর এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট ও বাণিজ্যকেন্দ্র।

ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট

ফেনী আগে নোয়াখালীর অংশ ছিল এবং ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশের ৬৪তম জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ত্রিপুরা এবং দক্ষিণ-পূর্ব করিডরের মধ্যবর্তী একটি সীমান্ত ও ট্রানজিট অঞ্চলের দীর্ঘ ইতিহাস এ জেলার রয়েছে।

ভৌগোলিক পরিচিতি

অবস্থান: নোয়াখালী, কুমিল্লা ও ত্রিপুরা সীমান্তের মাঝামাঝি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। নিম্ন সমভূমি, নদীঘেরা এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ করিডর এ জেলার বৈশিষ্ট্য।

প্রশাসনিক কাঠামো

জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৪

জেলা সদর: ফেনী

উপবিভাগ: ৬টি উপজেলা

এই ডেটাবেসে বর্তমান উপজেলাগুলো আলাদাভাবে upazilas টেবিলের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জনসংখ্যা ও সমাজ

জনসংখ্যা (২০২২): প্রায় ১৬.৫ লাখ। ফেনীতে ঘন গ্রামীণ জনসংখ্যার পাশাপাশি যোগাযোগভিত্তিক নগরায়ণও শক্তিশালী। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠের পাশাপাশি ক্ষুদ্র হিন্দু ও অন্যান্য সম্প্রদায় রয়েছে।

শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান

ফেনীর শিক্ষাব্যবস্থা জেলা কলেজ, বিদ্যালয়, মাদ্রাসা নেটওয়ার্ক এবং কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আঞ্চলিক সংযোগের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। যোগাযোগ করিডরভিত্তিক শিক্ষাবিস্তারের জন্যও এটি পরিচিত।

অর্থনীতি ও সংস্কৃতি

অর্থনীতি ও সংস্কৃতি: পরিবহন, বাণিজ্য, কৃষি, সীমান্তবাণিজ্য এবং প্রবাস-সংযুক্ত সেবাখাত এ জেলার মূল ভিত্তি। ফেনী নদী, স্থানীয় বাজার এবং করিডর-ভিত্তিক বাণিজ্য এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।