ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট
সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনামলে ১৪৯৩ থেকে ১৫১৯ সালের মধ্যে ওয়ালী মুহাম্মদ (মজলিস মনসূর ওয়ালী মুহাম্মদ বিন আলী) কর্তৃক নির্মিত এই মসজিদের নামকরণ হয়েছে এর পনেরোটি গম্বুজে একসময় থাকা স্বর্ণের প্রলেপ থেকে — "ছোট" শব্দটি কাছাকাছি একই নামের বড় মসজিদ থেকে এটিকে পৃথক করে। ধ্বংসপ্রাপ্ত সুলতানি রাজধানী গৌড়ের পুরনো কোতোয়ালি দরওয়াজার প্রায় ৩ কিমি দক্ষিণে অবস্থিত এই মসজিদটি ইট ও খোদাই করা কালো ব্যাসল্ট পাথরের অস্বাভাবিক সমন্বয়ের জন্য স্বতন্ত্র, যা মূলত পাথরের অভাবে ইট-নির্ভর বাংলার স্থাপত্যে বিরল। ১৮৯৭ সালের বৃহৎ আসাম ভূমিকম্পে এটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ১৯০০ থেকে ১৯০৭ সালের মধ্যে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক সযত্নে পুনরুদ্ধার করা হয়। আজ এটি বাংলা সালতানাতের মসজিদ স্থাপত্যের টিকে থাকা সেরা নিদর্শনগুলোর একটি।