জেলা পরিচিতি

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরকেন্দ্রিক মূল জেলা এবং দেশের বাণিজ্যিক প্রবেশদ্বার। এর আয়তন ৫,২৮২.৯২ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ৯,১৬৯,৪৬৪। জেলা সদর চট্টগ্রাম শহর দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম ব্যস্ত বন্দর-সংযুক্ত নগরকেন্দ্র।

বর্তমান আবহাওয়া

আংশিক মেঘলা

তাপমাত্রা২৪.৮°C
বাতাসের গতি১.৭ km/h
আপডেট২২:০০

নামাজের সময়সূচি

ফজর০৪:৫৭
সূর্যোদয়০৬:০১
যোহর১১:৩৬
আসর১৪:৪৯
মাগরিব১৭:১২
ইশা১৮:১৫

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

চট্টগ্রাম বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরকেন্দ্রিক মূল জেলা এবং দেশের বাণিজ্যিক প্রবেশদ্বার। এর আয়তন ৫,২৮২.৯২ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২২ আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ৯,১৬৯,৪৬৪। জেলা সদর চট্টগ্রাম শহর দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম ব্যস্ত বন্দর-সংযুক্ত নগরকেন্দ্র।

ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট

চট্টগ্রাম বাংলাদেশের প্রাচীনতম ও ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোর একটি। আধুনিক প্রশাসনিক ঐতিহ্যে ১৬৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই অঞ্চল সমুদ্রবাণিজ্য, মুঘল বিজয়, ঔপনিবেশিক বন্দর বিস্তার এবং শিল্পোন্নয়নের মধ্য দিয়ে বিকশিত হয়েছে।

ভৌগোলিক পরিচিতি

অবস্থান: বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। পাহাড়, উপকূল, মোহনা এবং বন্দরভিত্তিক ভূপ্রকৃতি এ জেলার বৈশিষ্ট্য। কর্ণফুলী, হালদা এবং সাঙ্গু-সংলগ্ন নদীব্যবস্থা এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশাসনিক কাঠামো

জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা: ১৬৬৬

জেলা সদর: চট্টগ্রাম

উপবিভাগ: ১৫টি উপজেলা

এই ডেটাবেসে বর্তমান উপজেলাগুলো আলাদাভাবে upazilas টেবিলের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জনসংখ্যা ও সমাজ

জনসংখ্যা (২০২২): ৯,১৬৯,৪৬৪। চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অন্যতম বেশি নগরায়িত ও অর্থনৈতিকভাবে গতিশীল জেলা, যেখানে শক্তিশালী নগর-শিল্পভিত্তিক জনসংখ্যা এবং চাটগাঁইয়া ভাষিক পরিচয় রয়েছে।

শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান

চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী শিক্ষাকেন্দ্র; চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চুয়েট, চিকিৎসা শিক্ষা, সামুদ্রিক শিক্ষা এবং বড় বড় কলেজ এ জেলার একাডেমিক পরিচয় গড়ে তুলেছে।

অর্থনীতি ও সংস্কৃতি

অর্থনীতি ও সংস্কৃতি: বন্দরভিত্তিক লজিস্টিকস, জাহাজ-সংযোগ, শিল্প, বাণিজ্য, মৎস্য, পর্যটন এবং চাটগাঁইয়া ভাষা-সংস্কৃতি এ জেলার চালিকাশক্তি। বন্দর, শিল্পাঞ্চল এবং ধর্মীয়-ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলো জেলার কেন্দ্রীয় পরিচয়।